
৯০ সেকেন্ডের মধ্যে পিজ্জাটি বাইরে নিয়ে আসার উপায় যদি আপনি এখনও ৩০০ সেকেন্ড সময় নিয়ে পিজ্জা রান্না করেন, তাহলে আপনি অতিরিক্ত সময় অপেক্ষা করছেন। সমস্যা হলো, সাধারণ কনভেকশন ওভেনগুলো গরম বাতাসের উপর নির্ভর করে। বাতাস ধীর গতিতে চলে; ফলে রান্নার সময় বাড়ে। আমরা ভিন্নভাবে কাজ করি। শর্টওয়েভ হ্যালোজেন ইনফ্রারেড ল্যাম্প ব্যবহার করে আমরা বাতাসের প্রয়োজনীয়তাই দূর করি। শক্তি সরাসরি পিজ্জার উপর পড়ে। এটা যেন ঘরটিকে উষ্ণ হতে অপেক্ষা করার বদলে সরাসরি সূর্যালোকের নিচে দাঁড়ানোর মতো। উচ্চ-ঘনত্বের তাপ পাওয়ার গোপন উপায় এই গতি পাওয়ার জন্য অল্প জায়গায় প্রচুর শক্তি প্রয়োজন। এই হ্যালোজেন বাল্বগুলোতে কোয়ার্টজ আবরণের ভিতরে টাঙ্গস্টেন ফিলামেন্ট থাকে। হ্যালোজেন গ্যাসই ফিলামেন্টটিকে নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে—এমনকি যখন ফিলামেন্টটি অত্যন্ত গরম থাকে। যেহেতু এগুলো শিল্পোপযোগী ওভেনের জন্য তৈরি, তাই ল্যাম্পের নিচে পিজ্জাটি রাখার সাথে সাথেই তাপ পিজ্জার উপর পড়ে। এভাবেই রান্নার সময় কমে যায়। এটা প্রায় তাৎক্ষণিক। এগুলো ইনস্টল করার উপায় বেশিরভাগ বেকারি ওভেনে R7 বা অনুরূপ কানেক্টর ব্যবহৃত হয়। আমরা এগুলোকে সহজেই ইনস্টল করার জন্য তৈরি করেছি। আপনাকে ওভেনের ওয়্যারিং নিয়ে ঝামেলা করতে বা কোনো বিশেষজ্ঞকে ডাকতে হবে না। আমরা কোয়ার্টজ গ্লাস ব্যবহার করি; কারণ এটা ইনফ্রারেড রশ্মিগুলোকে বাধা না দিয়ে ছেড়ে দেয়। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো: এই ল্যাম্পগুলো খুবই গরম হয়। যদি আপনার রিফ্লেক্টরগুলো নোংরা বা ক্ষতগ্রস্ত হয়, তাহলে আপনি শক্তি নষ্ট করছেন। রান্নার সময় আবার বাড়বে। ৯০ সেকেন্ডের গতি বজায় রাখতে হলে রিফ্লেক্টরগুলোকে পরিষ্কার রাখুন। সুবিধা ও অসুবিধা শর্টওয়েভ ইনফ্রারেড রশ্মি খুবই শক্তিশালী; কিন্তু এটা “কোমল” নয়। ধীর গতিতে রান্না করার সময় যে সুবিধা পাওয়া যায়, সেটা এখানে পাওয়া যায় না। যদি বেল্টের গতি ঠিক না থাকে বা সেন্সরগুলো নতুন বাল্বের ওয়াটেজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তাহলে ক্রাস্ট পাকার আগেই পিজ্জার চিজটি পুড়ে যাবে। এটা এক ধরনের ভারসাম্য বজায় রাখার ব্যাপার। কিন্তু একবার গতি ও তাপ ঠিক করা হলে, আপনার রান্নার গতি অনেক বেশি হয়ে যাবে।